ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তাড়াশে জব্দ পেট্রোল বিক্রি: সরকারি কোষাগারে জমা ৪৩ হাজার টাকা সাবলীল বক্তব্যে ভাইরাল তাড়াশের সোলাইমান হোসেন সিহাব   অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলামকে পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি তাড়াশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সিরাজগঞ্জে গার্ড অব অনার দিয়ে বরণ করা হলো মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও হয়রানির অভিযোগ সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারের ভিড় ছল চোখে পড়ার মতো দুই দিন ধরে নিখোঁজ বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি , সন্তানের খোঁজে দিশেহারা মা–বাবা তাড়াশে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নবনির্বাচিতদের শপথ গ্রহণে সম্মাননা স্মারক পেলেন শরিফুল ইসলাম আলামিন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও হয়রানির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কর্মরত তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি, খাজনা বাড়িয়ে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদিমাগুরা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, তার প্রবাসী ভাইয়ের নামে থাকা জমির হোল্ডিং নম্বর ৩৩৪-এর খাজনা পরিশোধের জন্য তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে সংশ্লিষ্ট ভূমি উপসহকারীর কাছে ঘুরছেন। এ সময় ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশ ইচ্ছাকৃতভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে ১০ টাকার খাজনার পরিবর্তে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন এবং তা সংশোধনের জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে দিনের পর দিন বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুস ছাত্তার। তিনি জানান, নামজারি সংক্রান্ত কাজে গেলে তাড়াশ সদর ভূমি উপসহকারী তাকে প্রায় এক মাস ঘুরিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দেওয়ায় তার জমির খাজনা বেআইনিভাবে দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ভূমি অফিসে ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং সরকারি সেবার প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে একজন ব্যাক্তি জানান, তিনি প্রতিটি কাজে রেট ফিক্সড করে দিয়েছেন, টাকা না দিলে সে কাজ করে না বরং গ্রাহকদের ঘুরায়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের ন্যায্য খাজনা ও নামজারি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের সাথে কথা বলতে চাইলে সে কথা বলতে রাজি হয়নি, বরং সাংবাদিকের সাথে দুর্ব্যবহার করে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও হয়রানির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কর্মরত তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি, খাজনা বাড়িয়ে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদিমাগুরা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, তার প্রবাসী ভাইয়ের নামে থাকা জমির হোল্ডিং নম্বর ৩৩৪-এর খাজনা পরিশোধের জন্য তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে সংশ্লিষ্ট ভূমি উপসহকারীর কাছে ঘুরছেন। এ সময় ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলাম পলাশ ইচ্ছাকৃতভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে ১০ টাকার খাজনার পরিবর্তে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন এবং তা সংশোধনের জন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে দিনের পর দিন বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুস ছাত্তার। তিনি জানান, নামজারি সংক্রান্ত কাজে গেলে তাড়াশ সদর ভূমি উপসহকারী তাকে প্রায় এক মাস ঘুরিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ না দেওয়ায় তার জমির খাজনা বেআইনিভাবে দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ভূমি অফিসে ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং সরকারি সেবার প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে একজন ব্যাক্তি জানান, তিনি প্রতিটি কাজে রেট ফিক্সড করে দিয়েছেন, টাকা না দিলে সে কাজ করে না বরং গ্রাহকদের ঘুরায়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের ন্যায্য খাজনা ও নামজারি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের সাথে কথা বলতে চাইলে সে কথা বলতে রাজি হয়নি, বরং সাংবাদিকের সাথে দুর্ব্যবহার করে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।