ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তাড়াশে জব্দ পেট্রোল বিক্রি: সরকারি কোষাগারে জমা ৪৩ হাজার টাকা সাবলীল বক্তব্যে ভাইরাল তাড়াশের সোলাইমান হোসেন সিহাব   অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরে তাড়াশ সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী মোঃ আরিফুল ইসলামকে পলাশকে শাস্তিমূলক বদলি তাড়াশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সিরাজগঞ্জে গার্ড অব অনার দিয়ে বরণ করা হলো মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও হয়রানির অভিযোগ সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারের ভিড় ছল চোখে পড়ার মতো দুই দিন ধরে নিখোঁজ বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি , সন্তানের খোঁজে দিশেহারা মা–বাবা তাড়াশে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের নবনির্বাচিতদের শপথ গ্রহণে সম্মাননা স্মারক পেলেন শরিফুল ইসলাম আলামিন

তাড়াশে জব্দ পেট্রোল বিক্রি: সরকারি কোষাগারে জমা ৪৩ হাজার টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জব্দকৃত পেট্রোল গায়েব করা হয়নি বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। জব্দ করা তেল বিক্রির পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিনসাড়া বাজারে অবস্থিত ‘মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ’-এ অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। এ সময় প্রায় ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহ আলমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় জব্দকৃত পেট্রোল উপজেলার খালকুলা নর্থ বেঙ্গল সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রতি লিটার ১১৬ টাকা দরে মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে ১ লিটার করে বিক্রি করা হয়। এতে মোট ৩৭৬ লিটার পেট্রোল বিক্রি হয় এবং ৪৩ হাজার ৬১৬ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে টাকা জমা দেওয়া সম্ভব না হলেও রবিবার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত পেট্রোল দুটি ড্রামে করে ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়েছিল। বিক্রয় শেষে খালি ড্রামগুলো মালিকপক্ষকে ফেরত দেওয়া হয়। পেট্রোল গায়েবের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে ইউএনও নুসরাত জাহান বলেন, “আমরা সকল বিধি-বিধান মেনেই অভিযান পরিচালনা করেছি। বিক্রিত তেলের অর্থ যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।”

তিনি আরও জানান, “তেলের সংকটকালীন সময়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তাড়াশে জব্দ পেট্রোল বিক্রি: সরকারি কোষাগারে জমা ৪৩ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জব্দকৃত পেট্রোল গায়েব করা হয়নি বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। জব্দ করা তেল বিক্রির পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বিনসাড়া বাজারে অবস্থিত ‘মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ’-এ অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান। এ সময় প্রায় ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহ আলমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় জব্দকৃত পেট্রোল উপজেলার খালকুলা নর্থ বেঙ্গল সমবায় ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রতি লিটার ১১৬ টাকা দরে মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে ১ লিটার করে বিক্রি করা হয়। এতে মোট ৩৭৬ লিটার পেট্রোল বিক্রি হয় এবং ৪৩ হাজার ৬১৬ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে টাকা জমা দেওয়া সম্ভব না হলেও রবিবার সকালে ব্যাংকের মাধ্যমে পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শী জাহিদুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত পেট্রোল দুটি ড্রামে করে ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়েছিল। বিক্রয় শেষে খালি ড্রামগুলো মালিকপক্ষকে ফেরত দেওয়া হয়। পেট্রোল গায়েবের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে ইউএনও নুসরাত জাহান বলেন, “আমরা সকল বিধি-বিধান মেনেই অভিযান পরিচালনা করেছি। বিক্রিত তেলের অর্থ যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।”

তিনি আরও জানান, “তেলের সংকটকালীন সময়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”